1. admin@bijoysangram71tv.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মাওলানা হারুনুর রশিদ ভাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মাওলানা হারুনুর রশিদ ভাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মাওলানা হারুনুর রশিদ ভাই জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গাজীপুরে জামায়াতের গণমিছিল মিছিল গাজীপুরে সাংবাদিকের পৈতৃক জমিতে জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকি; থানায় লিখিত অভিযোগ মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল সরিষাবাড়ীতে প্রযুক্তি সেবার নির্ভরতার নাম—এস এম টেলিকম এন্ড সার্ভিসিং সেন্টার পিরুজালী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোঃ কামরুজ্জামান মন্ডল’র বাড়িতে ঈদ উপহার বিতরণ    সম্পন্ন.. গাজীপুর সদরে ছাত্র শিবিরের ইফতার অনুষ্ঠিত.. সওকত হোসাইন সাংবাদিকতায় ঐক্যের আহ্বান: গাজীপুর সাংবাদিক পরিষদের ইফতার ও সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর–৩: ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ, ঐক্য জোটের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা এহসানুল হকের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৩ বার পঠিত
#গাজীপুর–৩: ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ, ঐক্য জোটের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা এহসানুল হকের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব সওকত হোসাইন গাজীপুর । আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়ো দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে গাজীপুর–৩ (শ্রীপুর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার আংশিক) আসনটি জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতেও বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক রিক্সা প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইজাদুর রহমান মিলন। নির্বাচনের শুরুতে গাজীপুর–৩ আসনে চিত্র ছিল ভিন্ন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন সংগঠনের মজলিশে সুরার অন্যতম সদস্য ও গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমীর ডঃ. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জোরালো প্রচারণার কারণে তাঁকে তখন এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তাঁর ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন বিএনপি শিবিরে স্পষ্ট অস্বস্তি ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে সেই তৈরী মাঠে আরো তৎপর হয়ে কাজ করছে জামায়াতের কর্মীরা।১১ দলীয় ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত গাজীপুর–৩ আসনটি খেলাফতে মজলিশকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দলীয় ও জোটগত সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ডঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও নির্বাচনী প্রচারণা চলছে আরোও জোড়ালোভাবে। এতে বিএনপি শিবির কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাঠ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি। এদিকে মাওলানা এহসানুল হক সাংগঠনিক ও সামাজিক তৎপরতায় তিনি একাধারে ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনে সুপরিচিত একজন কর্মঠ সংগঠক। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহসভাপতি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য। শাইখুল হাদীস পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তরুণ আলেম প্রজন্মের সভাপতি। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। বর্তমানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ায় শিক্ষকতা করছেন। শ্রীপুর মদিনাতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসার মুতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন প্রথিতযশা লেখক ও গবেষক। তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা ৬টি এবং সম্পাদিত গ্রন্থ ৪টি। মাসিক রাহমানি পয়গাম সাময়িকীর সম্পাদক হিসেবে দ্বীন, সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, চাঁদাবাজ ও দলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নিজ এলাকার মানুষের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং মসজিদ, মন্দির, স্কুল ও কলেজে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান ও অংশগ্রহণ তাঁকে এলাকায় ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক শেষ সময়ে এসে পুরো  নির্বাচনী এলাকা কার্যকরভাবে প্রদক্ষিণ করে আরোও বেগবান করে জন সাধারনের মনের সাথে মিশে গেছে।  আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো—আওয়ামী লীগ এবার নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাদের কুকর্মের বিচার না হওয়ায়,জামায়াতের প্রতি না নেওয়ার কারণে,  রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে দলটির ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক কার্যত জামায়াতের ১১ দলের জোটের প্রার্থীর দিকেই ঝুঁকছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এই সমর্থন নির্বাচনী অঙ্কে একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করতে পারে। প্রচারণা নিঃসন্দেহে জোরালো। তবে পতিত আওয়ামী লীগের বহু চিহ্নিত ও বিতর্কিত নেতাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিএনপির বিরুদ্ধে আদর্শচ্যুতির অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী সরকারের পতনের পর গত ১৭ মাসে শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলায় বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল ও তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে—এই দল আদৌ কতটা জনআস্থা ধরে রাখতে পেরেছে? ভোটারদের কথা হচ্ছে - তারা বিগত দিনে নৌকা দেখেছে, লাঙ্গল দেখেছে, ধানের শীষ দেখেছে মানুষের ভাঙ্গের পরিবর্তন হয়নি। তারা এবার জামায়াত করে দেখতে চাই। জাতীয় পর্যায়ে এনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মধ্যকার সাংবিধানিক ভোটযুদ্ধের ফল যেমন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে, তেমনি গাজীপুর–৩ আসনেও ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন—দলীয় প্রতীকের রাজনীতি, না কি পরীক্ষিত জনপ্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা। সব মিলিয়ে মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি, নীরব সমর্থনের প্রবাহ, দীর্ঘদিনের জনসেবার রেকর্ড এবং বহুমাত্রিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় গাজীপুর–৩ আসনে ১১ দলের ঐক্য জোটের প্রার্থী মাওলানা এহসানুল হক ক্রমেই একজন শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন।
#গাজীপুর–৩: ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ, ঐক্য জোটের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা এহসানুল হকের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব সওকত হোসাইন গাজীপুর । আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়ো দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে গাজীপুর–৩ (শ্রীপুর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার আংশিক) আসনটি জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতেও বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক রিক্সা প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইজাদুর রহমান মিলন। নির্বাচনের শুরুতে গাজীপুর–৩ আসনে চিত্র ছিল ভিন্ন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন সংগঠনের মজলিশে সুরার অন্যতম সদস্য ও গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমীর ডঃ. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জোরালো প্রচারণার কারণে তাঁকে তখন এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তাঁর ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন বিএনপি শিবিরে স্পষ্ট অস্বস্তি ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে সেই তৈরী মাঠে আরো তৎপর হয়ে কাজ করছে জামায়াতের কর্মীরা।১১ দলীয় ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত গাজীপুর–৩ আসনটি খেলাফতে মজলিশকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দলীয় ও জোটগত সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ডঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও নির্বাচনী প্রচারণা চলছে আরোও জোড়ালোভাবে। এতে বিএনপি শিবির কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাঠ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি। এদিকে মাওলানা এহসানুল হক সাংগঠনিক ও সামাজিক তৎপরতায় তিনি একাধারে ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনে সুপরিচিত একজন কর্মঠ সংগঠক। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহসভাপতি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য। শাইখুল হাদীস পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তরুণ আলেম প্রজন্মের সভাপতি। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। বর্তমানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ায় শিক্ষকতা করছেন। শ্রীপুর মদিনাতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসার মুতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন প্রথিতযশা লেখক ও গবেষক। তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা ৬টি এবং সম্পাদিত গ্রন্থ ৪টি। মাসিক রাহমানি পয়গাম সাময়িকীর সম্পাদক হিসেবে দ্বীন, সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, চাঁদাবাজ ও দলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নিজ এলাকার মানুষের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং মসজিদ, মন্দির, স্কুল ও কলেজে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান ও অংশগ্রহণ তাঁকে এলাকায় ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক শেষ সময়ে এসে পুরো  নির্বাচনী এলাকা কার্যকরভাবে প্রদক্ষিণ করে আরোও বেগবান করে জন সাধারনের মনের সাথে মিশে গেছে।  আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো—আওয়ামী লীগ এবার নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাদের কুকর্মের বিচার না হওয়ায়,জামায়াতের প্রতি না নেওয়ার কারণে,  রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে দলটির ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক কার্যত জামায়াতের ১১ দলের জোটের প্রার্থীর দিকেই ঝুঁকছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এই সমর্থন নির্বাচনী অঙ্কে একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করতে পারে। প্রচারণা নিঃসন্দেহে জোরালো। তবে পতিত আওয়ামী লীগের বহু চিহ্নিত ও বিতর্কিত নেতাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিএনপির বিরুদ্ধে আদর্শচ্যুতির অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী সরকারের পতনের পর গত ১৭ মাসে শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলায় বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল ও তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে—এই দল আদৌ কতটা জনআস্থা ধরে রাখতে পেরেছে? ভোটারদের কথা হচ্ছে - তারা বিগত দিনে নৌকা দেখেছে, লাঙ্গল দেখেছে, ধানের শীষ দেখেছে মানুষের ভাঙ্গের পরিবর্তন হয়নি। তারা এবার জামায়াত করে দেখতে চাই। জাতীয় পর্যায়ে এনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মধ্যকার সাংবিধানিক ভোটযুদ্ধের ফল যেমন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে, তেমনি গাজীপুর–৩ আসনেও ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন—দলীয় প্রতীকের রাজনীতি, না কি পরীক্ষিত জনপ্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা। সব মিলিয়ে মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি, নীরব সমর্থনের প্রবাহ, দীর্ঘদিনের জনসেবার রেকর্ড এবং বহুমাত্রিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় গাজীপুর–৩ আসনে ১১ দলের ঐক্য জোটের প্রার্থী মাওলানা এহসানুল হক ক্রমেই একজন শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন।
#গাজীপুর–৩: ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ, ঐক্য জোটের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা এহসানুল হকের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাবসওকত হোসাইন 
গাজীপুর ।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়ো দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে গাজীপুর–৩ (শ্রীপুর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার আংশিক) আসনটি জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতেও বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক রিক্সা প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইজাদুর রহমান মিলন।

নির্বাচনের শুরুতে গাজীপুর–৩ আসনে চিত্র ছিল ভিন্ন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন সংগঠনের মজলিশে সুরার অন্যতম সদস্য ও গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমীর ডঃ. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জোরালো প্রচারণার কারণে তাঁকে তখন এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তাঁর ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন বিএনপি শিবিরে স্পষ্ট অস্বস্তি ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে সেই তৈরী মাঠে আরো তৎপর হয়ে কাজ করছে জামায়াতের কর্মীরা।১১ দলীয় ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত গাজীপুর–৩ আসনটি খেলাফতে মজলিশকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দলীয় ও জোটগত সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ডঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও নির্বাচনী প্রচারণা চলছে আরোও জোড়ালোভাবে। 
এতে বিএনপি শিবির কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাঠ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি।
এদিকে মাওলানা এহসানুল হক 
সাংগঠনিক ও সামাজিক তৎপরতায়
তিনি একাধারে ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনে সুপরিচিত একজন কর্মঠ সংগঠক।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহসভাপতি ও
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য।

শাইখুল হাদীস পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,
তরুণ আলেম প্রজন্মের সভাপতি।

এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।
বর্তমানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ায় শিক্ষকতা করছেন। শ্রীপুর মদিনাতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসার মুতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন প্রথিতযশা লেখক ও গবেষক। তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা ৬টি এবং সম্পাদিত গ্রন্থ ৪টি। মাসিক রাহমানি পয়গাম সাময়িকীর সম্পাদক হিসেবে দ্বীন, সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, চাঁদাবাজ ও দলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নিজ এলাকার মানুষের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং মসজিদ, মন্দির, স্কুল ও কলেজে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান ও অংশগ্রহণ তাঁকে এলাকায় ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে।

অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক শেষ সময়ে এসে পুরো  নির্বাচনী এলাকা কার্যকরভাবে প্রদক্ষিণ করে আরোও বেগবান করে জন সাধারনের মনের সাথে মিশে গেছে।  

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো—আওয়ামী লীগ এবার নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাদের কুকর্মের বিচার না হওয়ায়,জামায়াতের প্রতি না নেওয়ার কারণে,  রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে দলটির ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক কার্যত জামায়াতের ১১ দলের জোটের প্রার্থীর দিকেই ঝুঁকছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এই সমর্থন নির্বাচনী অঙ্কে একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করতে পারে।
প্রচারণা নিঃসন্দেহে জোরালো। তবে পতিত আওয়ামী লীগের বহু চিহ্নিত ও বিতর্কিত নেতাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিএনপির বিরুদ্ধে আদর্শচ্যুতির অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী সরকারের পতনের পর গত ১৭ মাসে শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলায় বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল ও তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে—এই দল আদৌ কতটা জনআস্থা ধরে রাখতে পেরেছে?
ভোটারদের কথা হচ্ছে - তারা বিগত দিনে নৌকা দেখেছে, লাঙ্গল দেখেছে, ধানের শীষ দেখেছে মানুষের ভাঙ্গের পরিবর্তন হয়নি। তারা এবার জামায়াত করে দেখতে চাই।
জাতীয় পর্যায়ে 
এনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মধ্যকার সাংবিধানিক ভোটযুদ্ধের ফল যেমন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে, তেমনি গাজীপুর–৩ আসনেও ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন—দলীয় প্রতীকের রাজনীতি, না কি পরীক্ষিত জনপ্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা।

সব মিলিয়ে মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি, নীরব সমর্থনের প্রবাহ, দীর্ঘদিনের জনসেবার রেকর্ড এবং বহুমাত্রিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় গাজীপুর–৩ আসনে ১১ দলের ঐক্য জোটের প্রার্থী মাওলানা এহসানুল হক ক্রমেই একজন শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন।

#গাজীপুর–৩: ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ, ঐক্য জোটের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা এহসানুল হকের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব
সওকত হোসাইন
গাজীপুর ।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়ো দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে গাজীপুর–৩ (শ্রীপুর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার আংশিক) আসনটি জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতেও বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক রিক্সা প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইজাদুর রহমান মিলন।
নির্বাচনের শুরুতে গাজীপুর–৩ আসনে চিত্র ছিল ভিন্ন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন সংগঠনের মজলিশে সুরার অন্যতম সদস্য ও গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমীর ডঃ. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জোরালো প্রচারণার কারণে তাঁকে তখন এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তাঁর ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন বিএনপি শিবিরে স্পষ্ট অস্বস্তি ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে সেই তৈরী মাঠে আরো তৎপর হয়ে কাজ করছে জামায়াতের কর্মীরা।১১ দলীয় ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত গাজীপুর–৩ আসনটি খেলাফতে মজলিশকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দলীয় ও জোটগত সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ডঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও নির্বাচনী প্রচারণা চলছে আরোও জোড়ালোভাবে।
এতে বিএনপি শিবির কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাঠ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি।
এদিকে মাওলানা এহসানুল হক
সাংগঠনিক ও সামাজিক তৎপরতায়
তিনি একাধারে ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনে সুপরিচিত একজন কর্মঠ সংগঠক।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহসভাপতি ও
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য।
শাইখুল হাদীস পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,
তরুণ আলেম প্রজন্মের সভাপতি।
এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।
বর্তমানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ায় শিক্ষকতা করছেন। শ্রীপুর মদিনাতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসার মুতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন প্রথিতযশা লেখক ও গবেষক। তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা ৬টি এবং সম্পাদিত গ্রন্থ ৪টি। মাসিক রাহমানি পয়গাম সাময়িকীর সম্পাদক হিসেবে দ্বীন, সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, চাঁদাবাজ ও দলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নিজ এলাকার মানুষের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং মসজিদ, মন্দির, স্কুল ও কলেজে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান ও অংশগ্রহণ তাঁকে এলাকায় ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে।
অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক শেষ সময়ে এসে পুরো  নির্বাচনী এলাকা কার্যকরভাবে প্রদক্ষিণ করে আরোও বেগবান করে জন সাধারনের মনের সাথে মিশে গেছে। 
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো—আওয়ামী লীগ এবার নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাদের কুকর্মের বিচার না হওয়ায়,জামায়াতের প্রতি না নেওয়ার কারণে,  রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে দলটির ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক কার্যত জামায়াতের ১১ দলের জোটের প্রার্থীর দিকেই ঝুঁকছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এই সমর্থন নির্বাচনী অঙ্কে একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করতে পারে।
প্রচারণা নিঃসন্দেহে জোরালো। তবে পতিত আওয়ামী লীগের বহু চিহ্নিত ও বিতর্কিত নেতাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিএনপির বিরুদ্ধে আদর্শচ্যুতির অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী সরকারের পতনের পর গত ১৭ মাসে শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলায় বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল ও তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে—এই দল আদৌ কতটা জনআস্থা ধরে রাখতে পেরেছে?
ভোটারদের কথা হচ্ছে – তারা বিগত দিনে নৌকা দেখেছে, লাঙ্গল দেখেছে, ধানের শীষ দেখেছে মানুষের ভাঙ্গের পরিবর্তন হয়নি। তারা এবার জামায়াত করে দেখতে চাই।
জাতীয় পর্যায়ে
এনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মধ্যকার সাংবিধানিক ভোটযুদ্ধের ফল যেমন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে, তেমনি গাজীপুর–৩ আসনেও ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন—দলীয় প্রতীকের রাজনীতি, না কি পরীক্ষিত জনপ্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা।
সব মিলিয়ে মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি, নীরব সমর্থনের প্রবাহ, দীর্ঘদিনের জনসেবার রেকর্ড এবং বহুমাত্রিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় গাজীপুর–৩ আসনে ১১ দলের ঐক্য জোটের প্রার্থী মাওলানা এহসানুল হক ক্রমেই একজন শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি
Theme Customized By Shakil IT Park