1. admin@bijoysangram71tv.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মাওলানা হারুনুর রশিদ ভাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মাওলানা হারুনুর রশিদ ভাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মাওলানা হারুনুর রশিদ ভাই জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গাজীপুরে জামায়াতের গণমিছিল মিছিল গাজীপুরে সাংবাদিকের পৈতৃক জমিতে জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকি; থানায় লিখিত অভিযোগ মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল সরিষাবাড়ীতে প্রযুক্তি সেবার নির্ভরতার নাম—এস এম টেলিকম এন্ড সার্ভিসিং সেন্টার পিরুজালী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোঃ কামরুজ্জামান মন্ডল’র বাড়িতে ঈদ উপহার বিতরণ    সম্পন্ন.. গাজীপুর সদরে ছাত্র শিবিরের ইফতার অনুষ্ঠিত.. সওকত হোসাইন সাংবাদিকতায় ঐক্যের আহ্বান: গাজীপুর সাংবাদিক পরিষদের ইফতার ও সভা অনুষ্ঠিত

অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের শিকার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়।

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪১ বার পঠিত
অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের শিকার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর প্রতি চরম হয়রানি—৪৫০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আজ সংকটে সাবহেডলাইন: বিগত সরকারের প্রভাবশালী মহলের অনিয়ম ও অসাধু ব্যক্তিদের অপতৎপরতায় সরকারি অনুদান বন্ধ—পরিদর্শনে উঠে এলো প্রকৃত অবহেলার করুণ চিত্র; এলাকাবাসীর জরুরি ভিত্তিতে সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি। মাহবুবুল আলম বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি । ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহ বিভাগ। জামালপুর জেলার মেলানদাহ উপজেলার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়—দীর্ঘদিনের শিক্ষা ঐতিহ্য বহনকারী একটি সম্ভাবনাময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে গত কয়েক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি ক্রমাগত অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের চক্রে আটকে পড়েছে। শিক্ষার মান বজায় রেখে ৪৫০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে সেবা প্রদান করা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে আজ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন। এই অবনতিশীল পরিস্থিতির কেন্দ্রে রয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা হওয়ায় প্রধান শিক্ষক এস. এম. জুলফিকার আলী—যিনি সততা, নীতি ও শিক্ষার প্রতি নিবেদিত মেধাবী দুইবারের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়ায় তিনি সকলের নিকট সুপরিচিত অথচ তাঁকেই লক্ষ্য করে একদল প্রভাবশালী অসাধু ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে হয়রানি, অপপ্রচার এবং সামাজিকভাবে হেয় করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা তার নিজের লোক হওয়ায় সমাজের কিছু অসাধু লোকের কারণে প্রতিহিংসার কারণ প্রধান শিক্ষকের প্রতি অমানবিক আচরণ — ষড়যন্ত্রের জাল আরও ঘনিষ্ঠ বিদ্যালয় নির্মাণে অন্যতম জমি দাতা নিজের লোক হওয়ার কারণ হিসেবে প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর অবদান অনস্বীকার্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি শিক্ষকতা, ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রণী ও ত্যাগী ভূমিকা পালন করে আসছেন। কিন্তু জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে কিছু অসৎ অরাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহল বিভিন্ন সময় তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। অভিযোগ, এই অসাধু দল প্রধান শিক্ষককে হেনস্তা করতে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তার করতে দীর্ঘদিন ধরে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান— প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও জমি দাতা নিজের লোক হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হওয়ার কারণে তিনিই আজ হয়রানির শিকার—এটা শুধু অন্যায় নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা।” সরকারি অনুদান স্থবির—অসাধু মহলের প্রভাবেই উন্নয়ন থেমে গেল বিগত সরকারের সময় এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী কিছু ব্যক্তির অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয় প্রভাবের কারণে বিদ্যালয়টি বছরের পর বছর সরকারি অনুদান, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রীসহ অন্যান্য মৌলিক সুবিধা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত থাকে। যেখানে পাশের বিদ্যালয়গুলো একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প পেয়েছে, সেখানে কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়টিতে একটি টাকাও বরাদ্দ হয়নি। ফলে— শ্রেণিকক্ষের ঘাটতি অবকাঠামো নাজুক পর্যাপ্ত আসবাব নেই শিক্ষার্থীদের জন্য উপকরণ সংকট ডিজিটাল সুবিধার অভাব মাঠ ও ল্যাবরেটরি অবহেলা সব মিলিয়ে বিদ্যালয়টি প্রায় ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ব্যুরো প্রধানের পরিদর্শনে উঠে এলো উপেক্ষার ভয়াবহ বাস্তবতা সম্প্রতি বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি-এর ব্যুরো প্রধান মাহবুবুল আলম বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে বিদ্যালয়ের সমস্যাবলী, সরকারি বঞ্চনা এবং শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের চরম দুর্দশার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন। পরিদর্শন শেষে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন— “সরকারি প্রতিষ্ঠানের এমন অবহেলা অগ্রহণযোগ্য। শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। এই বিদ্যালয়টি অবিলম্বে সরকারি নজরে আসা উচিত।” ৪৫০+ শিক্ষার্থীর ভার প্রধান শিক্ষকের কাঁধে — তবুও শিক্ষার মান অটুট চরম প্রতিকূল পরিবেশেও প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী তাঁর সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষা, নৈতিক উন্নয়ন এবং সুশৃঙ্খল পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন। তার নেতৃত্বে শিক্ষার মান জেলার বহু প্রতিষ্ঠানের চেয়েও উন্নত। অভিভাবকদের মতে— “অবহেলা থাকলেও শিক্ষকরা মনপ্রাণ দিয়ে পড়ান বলেই বিদ্যালয়টি এখনো টিকে আছে।” এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও দাবি—সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ অত্যাবশ্যক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল সরকারের প্রতি কয়েক দফা দাবি জানিয়েছেন— দাবিসমূহ: 1. বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত সকল জটিলতার দ্রুত সমাধান 2. প্রধান শিক্ষক এস. এম. জুলফিকার আলীর প্রতি ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও হয়রানি বন্ধ 3. দীর্ঘদিনের স্থবির সরকারি অনুদান পুনর্বহাল 4. জরুরি ভিত্তিতে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ 5. ডিজিটাল সুবিধা, ল্যাবরেটরি, ক্রীড়া উপকরণসহ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাসুবিধা নিশ্চিত 6. শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের বিশেষ পর্যবেক্ষণ এলাকাবাসীর মতে— “সরকার একটু নজর দিলে বিদ্যালয়টি জেলার সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।” উপসংহার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি মেলানদাহ উপজেলার শিশু–কিশোর শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র। একজন সৎ, নীতি–আদর্শবান প্রধান শিক্ষককে হয়রানি করে এবং বিদ্যালয়কে বছরের পর বছর বঞ্চিত রেখে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো এলাকার ভবিষ্যৎকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন প্রয়োজন সুস্পষ্ট সরকারি সিদ্ধান্ত, দৃঢ় হস্তক্ষেপ এবং অবিলম্বে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ—যাতে বিদ্যালয়টি তার স্বাভাবিক উন্নয়নধারা ফিরে পায় এবং শিক্ষার্থীরা একটি নিরাপদ, সুন্দর ও আধুনিক পরিবেশে পাঠদান করতে পারে।
অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের শিকার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর প্রতি চরম হয়রানি—৪৫০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আজ সংকটে সাবহেডলাইন: বিগত সরকারের প্রভাবশালী মহলের অনিয়ম ও অসাধু ব্যক্তিদের অপতৎপরতায় সরকারি অনুদান বন্ধ—পরিদর্শনে উঠে এলো প্রকৃত অবহেলার করুণ চিত্র; এলাকাবাসীর জরুরি ভিত্তিতে সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি। মাহবুবুল আলম বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি । ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহ বিভাগ। জামালপুর জেলার মেলানদাহ উপজেলার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়—দীর্ঘদিনের শিক্ষা ঐতিহ্য বহনকারী একটি সম্ভাবনাময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে গত কয়েক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি ক্রমাগত অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের চক্রে আটকে পড়েছে। শিক্ষার মান বজায় রেখে ৪৫০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে সেবা প্রদান করা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে আজ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন। এই অবনতিশীল পরিস্থিতির কেন্দ্রে রয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা হওয়ায় প্রধান শিক্ষক এস. এম. জুলফিকার আলী—যিনি সততা, নীতি ও শিক্ষার প্রতি নিবেদিত মেধাবী দুইবারের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়ায় তিনি সকলের নিকট সুপরিচিত অথচ তাঁকেই লক্ষ্য করে একদল প্রভাবশালী অসাধু ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে হয়রানি, অপপ্রচার এবং সামাজিকভাবে হেয় করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা তার নিজের লোক হওয়ায় সমাজের কিছু অসাধু লোকের কারণে প্রতিহিংসার কারণ প্রধান শিক্ষকের প্রতি অমানবিক আচরণ — ষড়যন্ত্রের জাল আরও ঘনিষ্ঠ বিদ্যালয় নির্মাণে অন্যতম জমি দাতা নিজের লোক হওয়ার কারণ হিসেবে প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর অবদান অনস্বীকার্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি শিক্ষকতা, ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রণী ও ত্যাগী ভূমিকা পালন করে আসছেন। কিন্তু জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে কিছু অসৎ অরাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহল বিভিন্ন সময় তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। অভিযোগ, এই অসাধু দল প্রধান শিক্ষককে হেনস্তা করতে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তার করতে দীর্ঘদিন ধরে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান— প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও জমি দাতা নিজের লোক হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হওয়ার কারণে তিনিই আজ হয়রানির শিকার—এটা শুধু অন্যায় নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা।” সরকারি অনুদান স্থবির—অসাধু মহলের প্রভাবেই উন্নয়ন থেমে গেল বিগত সরকারের সময় এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী কিছু ব্যক্তির অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয় প্রভাবের কারণে বিদ্যালয়টি বছরের পর বছর সরকারি অনুদান, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রীসহ অন্যান্য মৌলিক সুবিধা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত থাকে। যেখানে পাশের বিদ্যালয়গুলো একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প পেয়েছে, সেখানে কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়টিতে একটি টাকাও বরাদ্দ হয়নি। ফলে— শ্রেণিকক্ষের ঘাটতি অবকাঠামো নাজুক পর্যাপ্ত আসবাব নেই শিক্ষার্থীদের জন্য উপকরণ সংকট ডিজিটাল সুবিধার অভাব মাঠ ও ল্যাবরেটরি অবহেলা সব মিলিয়ে বিদ্যালয়টি প্রায় ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ব্যুরো প্রধানের পরিদর্শনে উঠে এলো উপেক্ষার ভয়াবহ বাস্তবতা সম্প্রতি বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি-এর ব্যুরো প্রধান মাহবুবুল আলম বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে বিদ্যালয়ের সমস্যাবলী, সরকারি বঞ্চনা এবং শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের চরম দুর্দশার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন। পরিদর্শন শেষে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন— “সরকারি প্রতিষ্ঠানের এমন অবহেলা অগ্রহণযোগ্য। শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। এই বিদ্যালয়টি অবিলম্বে সরকারি নজরে আসা উচিত।” ৪৫০+ শিক্ষার্থীর ভার প্রধান শিক্ষকের কাঁধে — তবুও শিক্ষার মান অটুট চরম প্রতিকূল পরিবেশেও প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী তাঁর সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষা, নৈতিক উন্নয়ন এবং সুশৃঙ্খল পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন। তার নেতৃত্বে শিক্ষার মান জেলার বহু প্রতিষ্ঠানের চেয়েও উন্নত। অভিভাবকদের মতে— “অবহেলা থাকলেও শিক্ষকরা মনপ্রাণ দিয়ে পড়ান বলেই বিদ্যালয়টি এখনো টিকে আছে।” এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও দাবি—সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ অত্যাবশ্যক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল সরকারের প্রতি কয়েক দফা দাবি জানিয়েছেন— দাবিসমূহ: 1. বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত সকল জটিলতার দ্রুত সমাধান 2. প্রধান শিক্ষক এস. এম. জুলফিকার আলীর প্রতি ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও হয়রানি বন্ধ 3. দীর্ঘদিনের স্থবির সরকারি অনুদান পুনর্বহাল 4. জরুরি ভিত্তিতে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ 5. ডিজিটাল সুবিধা, ল্যাবরেটরি, ক্রীড়া উপকরণসহ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাসুবিধা নিশ্চিত 6. শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের বিশেষ পর্যবেক্ষণ এলাকাবাসীর মতে— “সরকার একটু নজর দিলে বিদ্যালয়টি জেলার সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।” উপসংহার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি মেলানদাহ উপজেলার শিশু–কিশোর শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র। একজন সৎ, নীতি–আদর্শবান প্রধান শিক্ষককে হয়রানি করে এবং বিদ্যালয়কে বছরের পর বছর বঞ্চিত রেখে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো এলাকার ভবিষ্যৎকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন প্রয়োজন সুস্পষ্ট সরকারি সিদ্ধান্ত, দৃঢ় হস্তক্ষেপ এবং অবিলম্বে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ—যাতে বিদ্যালয়টি তার স্বাভাবিক উন্নয়নধারা ফিরে পায় এবং শিক্ষার্থীরা একটি নিরাপদ, সুন্দর ও আধুনিক পরিবেশে পাঠদান করতে পারে।
অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের শিকার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর প্রতি চরম হয়রানি—৪৫০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আজ সংকটে

সাবহেডলাইন:
বিগত সরকারের প্রভাবশালী মহলের অনিয়ম ও অসাধু ব্যক্তিদের অপতৎপরতায় সরকারি অনুদান বন্ধ—পরিদর্শনে উঠে এলো প্রকৃত অবহেলার করুণ চিত্র; এলাকাবাসীর জরুরি ভিত্তিতে সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি।

মাহবুবুল আলম বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি । 
ব্যুরো প্রধান  ময়মনসিংহ বিভাগ। 

জামালপুর জেলার মেলানদাহ উপজেলার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়—দীর্ঘদিনের শিক্ষা ঐতিহ্য বহনকারী একটি সম্ভাবনাময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে গত কয়েক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি ক্রমাগত অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের চক্রে আটকে পড়েছে। শিক্ষার মান বজায় রেখে ৪৫০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে সেবা প্রদান করা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে আজ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন।

এই অবনতিশীল পরিস্থিতির কেন্দ্রে রয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা হওয়ায় প্রধান শিক্ষক  এস. এম. জুলফিকার আলী—যিনি সততা, নীতি ও শিক্ষার প্রতি নিবেদিত মেধাবী দুইবারের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়ায় তিনি  সকলের নিকট সুপরিচিত   অথচ তাঁকেই লক্ষ্য করে একদল প্রভাবশালী অসাধু ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে হয়রানি, অপপ্রচার এবং সামাজিকভাবে হেয় করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা তার নিজের লোক হওয়ায় সমাজের  কিছু অসাধু  লোকের কারণে প্রতিহিংসার  কারণ  প্রধান শিক্ষকের প্রতি অমানবিক আচরণ — ষড়যন্ত্রের জাল আরও ঘনিষ্ঠ

বিদ্যালয় নির্মাণে অন্যতম জমি দাতা নিজের লোক হওয়ার কারণ হিসেবে প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর অবদান অনস্বীকার্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি শিক্ষকতা, ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রণী ও ত্যাগী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

কিন্তু জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে কিছু অসৎ অরাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহল বিভিন্ন সময় তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। অভিযোগ, এই অসাধু দল প্রধান শিক্ষককে হেনস্তা করতে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তার করতে দীর্ঘদিন ধরে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান—
প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও জমি দাতা নিজের লোক হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হওয়ার কারণে  তিনিই আজ হয়রানির শিকার—এটা শুধু অন্যায় নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা।”

সরকারি অনুদান স্থবির—অসাধু মহলের প্রভাবেই উন্নয়ন থেমে গেল

বিগত সরকারের সময় এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী কিছু ব্যক্তির অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয় প্রভাবের কারণে বিদ্যালয়টি বছরের পর বছর সরকারি অনুদান, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রীসহ অন্যান্য মৌলিক সুবিধা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত থাকে।

যেখানে পাশের বিদ্যালয়গুলো একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প পেয়েছে, সেখানে কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়টিতে একটি টাকাও বরাদ্দ হয়নি।

ফলে—

শ্রেণিকক্ষের ঘাটতি

অবকাঠামো নাজুক

পর্যাপ্ত আসবাব নেই

শিক্ষার্থীদের জন্য উপকরণ সংকট

ডিজিটাল সুবিধার অভাব

মাঠ ও ল্যাবরেটরি অবহেলা
সব মিলিয়ে বিদ্যালয়টি প্রায় ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

ব্যুরো প্রধানের পরিদর্শনে উঠে এলো উপেক্ষার ভয়াবহ বাস্তবতা

সম্প্রতি বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি-এর ব্যুরো প্রধান মাহবুবুল আলম বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে বিদ্যালয়ের সমস্যাবলী, সরকারি বঞ্চনা এবং শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের চরম দুর্দশার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন—
“সরকারি প্রতিষ্ঠানের এমন অবহেলা অগ্রহণযোগ্য। শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। এই বিদ্যালয়টি অবিলম্বে সরকারি নজরে আসা উচিত।”

৪৫০+ শিক্ষার্থীর ভার প্রধান শিক্ষকের কাঁধে — তবুও শিক্ষার মান অটুট

চরম প্রতিকূল পরিবেশেও প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী তাঁর সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষা, নৈতিক উন্নয়ন এবং সুশৃঙ্খল পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন।

তার নেতৃত্বে শিক্ষার মান জেলার বহু প্রতিষ্ঠানের চেয়েও উন্নত।
অভিভাবকদের মতে—
“অবহেলা থাকলেও শিক্ষকরা মনপ্রাণ দিয়ে পড়ান বলেই বিদ্যালয়টি এখনো টিকে আছে।”

এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও দাবি—সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ অত্যাবশ্যক

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল সরকারের প্রতি কয়েক দফা দাবি জানিয়েছেন—

দাবিসমূহ:

1. বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত সকল জটিলতার দ্রুত সমাধান

2. প্রধান শিক্ষক এস. এম. জুলফিকার আলীর প্রতি ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও হয়রানি বন্ধ

3. দীর্ঘদিনের স্থবির সরকারি অনুদান পুনর্বহাল

4. জরুরি ভিত্তিতে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ

5. ডিজিটাল সুবিধা, ল্যাবরেটরি, ক্রীড়া উপকরণসহ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাসুবিধা নিশ্চিত

6. শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
এলাকাবাসীর মতে—
“সরকার একটু নজর দিলে বিদ্যালয়টি জেলার সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।”

উপসংহার
কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি মেলানদাহ উপজেলার শিশু–কিশোর শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র। একজন সৎ, নীতি–আদর্শবান প্রধান শিক্ষককে হয়রানি করে এবং বিদ্যালয়কে বছরের পর বছর বঞ্চিত রেখে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো এলাকার ভবিষ্যৎকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

এখন প্রয়োজন সুস্পষ্ট সরকারি সিদ্ধান্ত, দৃঢ় হস্তক্ষেপ এবং অবিলম্বে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ—যাতে বিদ্যালয়টি তার স্বাভাবিক উন্নয়নধারা ফিরে পায় এবং শিক্ষার্থীরা একটি নিরাপদ, সুন্দর ও আধুনিক পরিবেশে পাঠদান করতে পারে।

অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের শিকার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর প্রতি চরম হয়রানি—৪৫০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আজ সংকটে
সাবহেডলাইন:
বিগত সরকারের প্রভাবশালী মহলের অনিয়ম ও অসাধু ব্যক্তিদের অপতৎপরতায় সরকারি অনুদান বন্ধ—পরিদর্শনে উঠে এলো প্রকৃত অবহেলার করুণ চিত্র; এলাকাবাসীর জরুরি ভিত্তিতে সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি।
মাহবুবুল আলম বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি ।
ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহ বিভাগ।
জামালপুর জেলার মেলানদাহ উপজেলার কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়—দীর্ঘদিনের শিক্ষা ঐতিহ্য বহনকারী একটি সম্ভাবনাময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে গত কয়েক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি ক্রমাগত অবহেলা, বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের চক্রে আটকে পড়েছে। শিক্ষার মান বজায় রেখে ৪৫০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে সেবা প্রদান করা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে আজ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন।
এই অবনতিশীল পরিস্থিতির কেন্দ্রে রয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা হওয়ায় প্রধান শিক্ষক এস. এম. জুলফিকার আলী—যিনি সততা, নীতি ও শিক্ষার প্রতি নিবেদিত মেধাবী দুইবারের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়ায় তিনি সকলের নিকট সুপরিচিত অথচ তাঁকেই লক্ষ্য করে একদল প্রভাবশালী অসাধু ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে হয়রানি, অপপ্রচার এবং সামাজিকভাবে হেয় করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান জমি দাতা তার নিজের লোক হওয়ায় সমাজের কিছু অসাধু লোকের কারণে প্রতিহিংসার কারণ প্রধান শিক্ষকের প্রতি অমানবিক আচরণ — ষড়যন্ত্রের জাল আরও ঘনিষ্ঠ
বিদ্যালয় নির্মাণে অন্যতম জমি দাতা নিজের লোক হওয়ার কারণ হিসেবে প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলীর অবদান অনস্বীকার্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি শিক্ষকতা, ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রণী ও ত্যাগী ভূমিকা পালন করে আসছেন।
কিন্তু জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে কিছু অসৎ অরাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহল বিভিন্ন সময় তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। অভিযোগ, এই অসাধু দল প্রধান শিক্ষককে হেনস্তা করতে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তার করতে দীর্ঘদিন ধরে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান—
প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও জমি দাতা নিজের লোক হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হওয়ার কারণে তিনিই আজ হয়রানির শিকার—এটা শুধু অন্যায় নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা।”
সরকারি অনুদান স্থবির—অসাধু মহলের প্রভাবেই উন্নয়ন থেমে গেল
বিগত সরকারের সময় এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী কিছু ব্যক্তির অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয় প্রভাবের কারণে বিদ্যালয়টি বছরের পর বছর সরকারি অনুদান, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রীসহ অন্যান্য মৌলিক সুবিধা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত থাকে।
যেখানে পাশের বিদ্যালয়গুলো একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প পেয়েছে, সেখানে কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়টিতে একটি টাকাও বরাদ্দ হয়নি।
ফলে—
শ্রেণিকক্ষের ঘাটতি
অবকাঠামো নাজুক
পর্যাপ্ত আসবাব নেই
শিক্ষার্থীদের জন্য উপকরণ সংকট
ডিজিটাল সুবিধার অভাব
মাঠ ও ল্যাবরেটরি অবহেলা
সব মিলিয়ে বিদ্যালয়টি প্রায় ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
ব্যুরো প্রধানের পরিদর্শনে উঠে এলো উপেক্ষার ভয়াবহ বাস্তবতা
সম্প্রতি বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি-এর ব্যুরো প্রধান মাহবুবুল আলম বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে বিদ্যালয়ের সমস্যাবলী, সরকারি বঞ্চনা এবং শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের চরম দুর্দশার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন—
“সরকারি প্রতিষ্ঠানের এমন অবহেলা অগ্রহণযোগ্য। শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। এই বিদ্যালয়টি অবিলম্বে সরকারি নজরে আসা উচিত।”
৪৫০+ শিক্ষার্থীর ভার প্রধান শিক্ষকের কাঁধে — তবুও শিক্ষার মান অটুট
চরম প্রতিকূল পরিবেশেও প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী তাঁর সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষা, নৈতিক উন্নয়ন এবং সুশৃঙ্খল পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন।
তার নেতৃত্বে শিক্ষার মান জেলার বহু প্রতিষ্ঠানের চেয়েও উন্নত।
অভিভাবকদের মতে—
“অবহেলা থাকলেও শিক্ষকরা মনপ্রাণ দিয়ে পড়ান বলেই বিদ্যালয়টি এখনো টিকে আছে।”
এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও দাবি—সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ অত্যাবশ্যক
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল সরকারের প্রতি কয়েক দফা দাবি জানিয়েছেন—
দাবিসমূহ:
1. বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত সকল জটিলতার দ্রুত সমাধান
2. প্রধান শিক্ষক এস. এম. জুলফিকার আলীর প্রতি ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও হয়রানি বন্ধ
3. দীর্ঘদিনের স্থবির সরকারি অনুদান পুনর্বহাল
4. জরুরি ভিত্তিতে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ
5. ডিজিটাল সুবিধা, ল্যাবরেটরি, ক্রীড়া উপকরণসহ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাসুবিধা নিশ্চিত
6. শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
এলাকাবাসীর মতে—
“সরকার একটু নজর দিলে বিদ্যালয়টি জেলার সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।”
উপসংহার
কে.জি.এস. মহর সুবাহান মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি মেলানদাহ উপজেলার শিশু–কিশোর শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র। একজন সৎ, নীতি–আদর্শবান প্রধান শিক্ষককে হয়রানি করে এবং বিদ্যালয়কে বছরের পর বছর বঞ্চিত রেখে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো এলাকার ভবিষ্যৎকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
এখন প্রয়োজন সুস্পষ্ট সরকারি সিদ্ধান্ত, দৃঢ় হস্তক্ষেপ এবং অবিলম্বে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ—যাতে বিদ্যালয়টি তার স্বাভাবিক উন্নয়নধারা ফিরে পায় এবং শিক্ষার্থীরা একটি নিরাপদ, সুন্দর ও আধুনিক পরিবেশে পাঠদান করতে পারে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ বিজয় সংগ্রাম ৭১ টিভি
Theme Customized By Shakil IT Park